নওগাঁর বদলগাছীতে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন। বুধবার (৭ জানুয়ারি) করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের তীব্রতা আরও বেড়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগসহ টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, নেত্রকোনা, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লা জেলায় হালকা থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে দেশের ৩২টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে, যা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
অন্যদিকে, একই দিনে কক্সবাজারের টেকনাফে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের তাপমাত্রার মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন দিনে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে কমেছে। সোমবার রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মঙ্গলবার তা নেমে আসে ৭.০ ডিগ্রিতে এবং বুধবার নওগাঁয় রেকর্ড হয় ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
রাজধানী ঢাকায় কুয়াশার প্রভাব তুলনামূলক কম থাকলেও গতকালের তুলনায় তাপমাত্রা প্রায় দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মৃদু, ৬.১ থেকে ৮ ডিগ্রি হলে মাঝারি এবং ৪.১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রির নিচে নেমে গেলে সেটিকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, চলতি জানুয়ারি মাসে একটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহসহ অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ দেশে আঘাত হানতে পারে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, বর্তমানে রাজশাহী, রংপুর, খুলনা ও বরিশাল বিভাগসহ টাঙ্গাইল, ফরিদপুর, মাদারীপুর, গোপালগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, নেত্রকোনা, মৌলভীবাজার, লক্ষ্মীপুর ও কুমিল্লা জেলায় হালকা থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। সব মিলিয়ে দেশের ৩২টি জেলায় শৈত্যপ্রবাহ বিরাজ করছে, যা আরও কিছুদিন অব্যাহত থাকতে পারে।
অন্যদিকে, একই দিনে কক্সবাজারের টেকনাফে দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফলে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের তাপমাত্রার মধ্যে বড় ধরনের পার্থক্য দেখা গেছে।
আবহাওয়া অফিসের তথ্য অনুযায়ী, গত তিন দিনে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ধারাবাহিকভাবে কমেছে। সোমবার রাজশাহীতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, মঙ্গলবার তা নেমে আসে ৭.০ ডিগ্রিতে এবং বুধবার নওগাঁয় রেকর্ড হয় ৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
রাজধানী ঢাকায় কুয়াশার প্রভাব তুলনামূলক কম থাকলেও গতকালের তুলনায় তাপমাত্রা প্রায় দুই ডিগ্রি সেলসিয়াস কমেছে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।
আবহাওয়াবিদদের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.১ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে মৃদু, ৬.১ থেকে ৮ ডিগ্রি হলে মাঝারি এবং ৪.১ থেকে ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ হিসেবে ধরা হয়। তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রির নিচে নেমে গেলে সেটিকে অতি তীব্র শৈত্যপ্রবাহ বলা হয়।
এদিকে, আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে, চলতি জানুয়ারি মাসে একটি তীব্র শৈত্যপ্রবাহসহ অন্তত পাঁচটি শৈত্যপ্রবাহ দেশে আঘাত হানতে পারে।
তাসমিরা তাবাসসুম (নওগাঁ প্রতিনিধি):